জিম ক্যারির বিখ্যাত স্পিচ ( বাংলায়)

জিম ক্যারির বিখ্যাত স্পিচ ( বাংলায়)
 

অনুবাদক Lutful Kaiser

“একদিন সবকিছু শেষ হয়ে যাবে, সবাই ভুলে যাবে আপনাকে আপনার শরীরও হয়ে যাবে দূর্বল! থেকে যাবে শুধু সেই ব্যাপারগুলো যেগুলো আপনি পছন্দ করতেন! ওগুলোই আপনার প্রকৃত অর্জন” – জিম ক্যারি

বিখ্যাত হলিউড কৌতুকাভিনেতা ‘জিম ক্যারি’ এই কথাগুলো বলেছিলেন আমেরিকার আইওয়াতে অবস্থিত ‘মহাঋষি ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট’এর ২০১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমাবর্তনে। তাঁর এই বক্তৃতাটি সেই সময় থেকেই বেশ আলোচিত।

সবাইকে ধন্যবাদ আজ এখানে আমাকে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আমার পরিচয় কি দিতে হবে? আপনারা সবাই জানেন যে আমি কে।  ২০১৪ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এবং এখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মা-বাবাদের অভিবাদন জানাচ্ছি।

আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজকে আমি এমন কিছু কথা বলবো যা হয়তো ভবিষ্যতে আপনাদের কাজে দিতে পারে। হয়তো কথাগুলো শোনার পর আপনারা জীবন সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারনা পাবেন।

আপনাদের মনে হতে পারে, যে আমি এসব জানি কী করে? উত্তর হলো, আমি জানি না! আপনারাও কেউ জানবেন না। আমি বলেছি যে আমি আপনাদের ‘ধারণা’ দেবো। এখন ধারণা জিনিসটা তো একেক জনের কাছে একেক রকম।

আমার মাঝে মাঝেই মনে হয়, মানুষ হিসাবে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব একে অপরের সাথে আলোচনা করা। একে অপরকে জানা।
আমাদের শরীর! এটা আসলে কী? চামড়ার নিচে কী রয়েছে? রক্ত? মাংস? এসব কেন আছে আমাদের? যাতে করে আমরা এই বিশাল সৃষ্টি জগতকে জানতে পারি। এই মহাবিশ্বের সবকিছুই ‘আমরা’ সম্পর্কিত।

আজ আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। আপনাদের মা-বাবাকে ধন্যবাদ, তারা আসলে অসাধারণ কিছু সন্তান জন্ম দিয়েছেন!

২০১৭… ওহ দুঃখিত.. ৩ বিয়োগ করলে কী হয়? ২০১৪ সমাবর্তন ব্যাচ, আপনারা আসলেই দারুন কাজ করেছেন।
ভয়! জিনিসটা অদ্ভুত না? কিন্তু এই জিনিসটা আপনার জীবনের অনেককিছু নির্ধারন করে দেয়। আপনি কতোটা দূর যেতে পারেন সেটাও।

ভূতে বিশ্বাস করেন? ভবিষ্যত জিনিসটাও কিন্তু একটা ভূত! কেউ এই ভূতকে ভয় পেয়ে মরে আর কেউ আবার ভূতের সাথে বন্ধুত্ব করে নেয়। এখন আবার কেউ বলতে পারে যে আমি ভূতের উদাহরণ কেন দিলাম? ভূত তো একটা অবাস্তব জিনিস!

জিম ক্যারির

শুনুন, বাস্তবতা জিনিসটা কিন্তু আপেক্ষিক!  আমাদের অনেকেই বড়-বড় স্বপ্নগুলো দেখতে ভয় পাই কারণ আমাদের মনে হয় ওগুলো তো বাস্তব করতে পারবো না! একটা কথা মনে রাখবেন, “এই পৃথিবী আপনাকে সেটাই দেবে যেটা আপনি চান!” আমিই তার প্রমাণ!
কখনও যদি আপনি কিছু চেয়ে না পান তবে ধরে নেবেন যে প্রকৃতি আপনার চাহিদা অন্যভাবে পূরণ করার চেষ্টা করছে, কখনোই হতাশ হবেন না। চেষ্টা চালিয়ে যাবেন!

আমার বাবা চাইলেই একজন ভালো কৌতুকাভিনেতা হতে পারতেন। কিন্তু এটা করতে যে পরিমাণ ঝুঁকি নিতে হয় সেই সাহস উনার ছিলো না। তো উনি কী করলেন? একটা জায়গায় হিসাবরক্ষকের দায়িত্ব নিলেন। উনি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা চাচ্ছিলেন।
আচ্ছা, এরপর কী হলো?

আমার বয়স যখন বারো বছর তখন উনার সেই চাকরীটা চলে গেলো! অদ্ভুত একটা সময় কেটেছিলো এরপর আমাদের! জীবনসংগ্রাম যে কতোটা ভয়াবহ জিনিস সেটা আমি তখনই বুঝেছিলাম।  আমি নিজের বাবার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখেছিলাম। উনি মানুষকে খুব হাসাতে পারতেন!

‘যেটা করতে আপনার ভালো লাগে না সেটা করে ব্যর্থ হওয়ার চাইতে, যেটা করতে আপনার ভালো লাগে সেটা করেই ব্যর্থ হওয়া ভালো’ এই শিক্ষাটা আমি আমার বাবার কাছ থেকেই শিখেছিলাম। উনি যখন আমাদের হাসাতেন তখন আমি মাঝে মাঝে ভাবতাম, ‘ব্যাপারটা মজার! এটাই তো আমার করা উচিত!’

খুব ছোটবেলা থেকেই আমি অভিনয় শুরু করি। কীভাবে শুরু করি জানেন? যখনই আমাদের বাড়িতে কোন অতিথি আসতেন তখন তারা দেখতেন যে বাড়ির সাত বছর বয়সী ছোট ছেলেটা অদ্ভুতভাবে সিঁড়ি দিয়ে নিচে পড়ে যাচ্ছে!
তারা যখন জিজ্ঞাসা করতেন, “তুমি কী করে পড়লে?”

আমি বলতাম, “চলুন আপনাদের একটা রিপ্লে দেখাই!” তারপর আমি ঠিক ওভাবে গড়িয়ে উল্টাদিকে যেয়ে দোতলাতে উঠতাম এবং আবার পড়ে যেতাম! এবার একটু আস্তে আস্তে পড়তাম! আমাকে বাড়ির কেউই কিন্তু কিছুই বলতো না! বাড়িটা আসলেই অদ্ভুত একটা জায়গা ছিলো।

আমার বাবা কিন্তু আমার এই ব্যাপারটা খুব উপভোগ করতেন। সম্ভবত কৌতুকাভিনেতা হবার যে স্বপ্ন উনি দেখেছিলেন সেটাকে আবার নতুন করে আমার মধ্যে বেঁচে উঠতে দেখে উনি খুশি হয়েছিলেন।  তখন আমার বয়স আটাশ বছর, ইতোমধ্যেই একজন পেশাদার কৌতুকাভিনেতা হিসাবে প্রায় দশটি বছর পার করে ফেলেছি। লস অ্যাঞ্জেলসে থাকি, একদিন রাতে হুট করেই আমি বুঝতে পারলাম যে আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী!

আমার জীবনের উদ্দেশ্য হলো, মানুষকে হাসানো! কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানুষকে কঠোর বাস্তবতা থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া!
এরপরে আমি নিজের জীবনের এই উদ্দেশ্যকে উপাসনা করতে শুরু করলাম। নিজের সবকিছু উজার করে দিলাম।
আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কী? এতে করে পৃথিবীর কী লাভ হবে?

এটাই আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে।  মানুষ আপনাকে সবসময় ভালো চোখে নেবে তা কিন্তু নয়! অনেকেই আপনাকে ভুল বুঝবে, চলে যাবে। কিন্তু দিনের শেষে আপনি নিজের কাছে সৎ থাকুন।  আমাকে দেখুন! আমি এমন একটা কিছু করি যার কারণে কোন অচেনা মানুষ যখন আমার সামনে আসে তখন তারা নিজেদেরকে সবচেয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, খেয়াল রাখে যেন আমি খুশি থাকি।
কারণ? কারণ আমি নিজের মনের কথা শুনেছি!

একদিন কিন্তু সব চলে যাবে। আপনি যতোই টাকা কামান, যত বড় বড় প্রাসাদ বানান…কিছু স্থায়ী নয়! থেকে যাবে শুধু সেই ব্যাপারগুলোই যা আপনার মনের মধ্যে ছিলো! সেই জিনিসগুলোই যা আপনি ভালবাসতেন!  আর দিনের শেষে এটাই সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ! আপনি কী করেন!

দেখুন আপনি সফলতা পিছনে ছুটলে সফলতা আপনার হাতে জীবনেও ধরা দেবে না। আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সেই জিনিসটাকে যা আপনাকে সফল বানাবে।বিশ্বাস রাখবেন। না না, আমি কোন ধর্মের কথা বলছি না! শুধু নিজের ওপর বিশ্বাস রাখবেন।

আশা নয় কিন্তু, বিশ্বাস! আমি আশা নামের শব্দটাতে বিশ্বাস করি না। চুপচাপ বসে থেকে আশা করার অর্থ কী? এটা তো ভিক্ষুকের মতো হয়ে গেলো। এই ব্যাপারটা একদিক দিয়ে আপনার মনকে নিজের বাজে অসস্থাকে মেনে নিতে বাধ্য করে!
আপনি স্বপ্ন দেখেন যে আপনি অনেক টাকা কামাবেন। একদিন স্বপ্নকে সত্য করলেন, কিন্তু তারপর? টাকা কি কখনো যথেষ্ট হয়? জীবনেও না!

আসলে স্বপ্ন সত্য হয়ে যাওয়াটাই উপসংহার নয়! হতেই পারে না। আমি এক সময়ে নিজের মেধার বলে ‘বড় কিছু’ একটা করতে চাইতাম কিন্তু এক সময়ে আমার চাইতেও মেধাবী একজন আমাকে বুঝিয়ে দেয় যে আমার চাইতে বড় আর কিছুই নেই!
আমাদের প্রত্যেকের মাথার মধ্যেই একটা করে দরজা আছে। এই দরজা দিয়েই আমাদের ঢুকতে হবে। ভয় পাবেন না যদি কোন দরজা বন্ধ হয়ে যায়! আরও অনেক দরজা আছে।

আজ আমার খ্যাতি যদি আমার সাথে না থাকতো, তবে আমি কে হতাম? আমাকে আপনারা চিনতেন? আমি যদি সেইসব কথা বলতাম যা আপনারা শুনতে চান না, তবে আপনারা কি আমাকে পছন্দ করতেন?  আপনাদেরকে কিন্তু মানতেই হবে যে আমি যে সময়ে পড়াশোনা করেছি সেই তুলনায় আপনারা অনেক এগিয়ে আছেন। আপনাদের ফোন আছে, ইন্টারনেট আছে!
এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষ একে অপররে গালি দেয়। ভেবে দেখুন? ব্যাপারটা কিন্তু খারাপ। তারপরেও মানুষের মতামত তো থাকতেই পারে, তাই না?

নিন্দুকদের অদৃশ্য মনে করা শিখুন। একটা সময়ে তারা আপনাকে আর দেখবে না। তাদের কথাগুলো নিয়ে চিন্তা করবেন না, এগুলো আপনার সাফল্যের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। মানুষকে কম ভরসা করুন। মাঝে মাঝে এমনও হতে পারে যে এমন একটা মানুষের কাছ থেকে আপনি সাহায্য পেলেন যাকে আপনি পছন্দই করেন না! আবার মাঝে মাঝে এমন মানুষ আপনাকে হতাশ করবে যাকে আপনি অনেক ভালোবাসেন।

কী বুঝলেন? মানুষ পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণী! হাহাহাহা!  খারাপ সময়ের প্রয়োজন, অনেক বেশী প্রয়োজন। কারণ এতে করে আপনি নিজের আশেপাশের মানুষদের চিনতে পারবেন। এমনও হতে পারে যে হাজার হাজার ঘন্টা সময় ব্যয় করে আপনি যে কাজটি করলেন সেটাকে ‘অতি নিম্নমানের কাজ’ বলতেও বাঁধবে না আপনার কাছের বন্ধুটির।

কিন্তু? ঐযে, ব্যক্তিগত মতামত। ওটা থাকবেই।  আমার আত্মা আমার শরীরের পরিসীমার মধ্যে আবদ্ধ, আর আমার শরীর আবদ্ধ আমার আত্মার পরিসীমার মধ্যে। এই মহাবিশ্বের কিছুই উদ্দেশ্যহীন নয়। প্রতিটি জিনিসেরই একটা করে উদ্দেশ্য আছে।
আমার এই কথাগুলোর ভিত্তি কী? কোন ভিত্তি নেই! কিন্তু এই যে আমি জোরে জোরে কথাগুলো বলছি আর আপনারা শুনছেন, এটাই অনেক বড় একটা ব্যাপার। ভিত্তি কে চায়? হাহাহা!

আপনি যখন কোন সফল মানুষের দিকে তাকান। ধরুন আমার দিকেই! হাহাহা! এই সুযোগে নিজেকে সফল বলে ফেললাম।
যাইহোক, আপনি কী ভাবেন? আপনি ভাবেন, ‘লোকটা এতো কিছু করলো কী করে? ওর এতো জনপ্রিয়তা কেন? বস্তাপচা অভিনয় করেও?” তাই না? হাহাহা… যাইহোক, আমি কিন্তু শুধুই নিজের কাজ করে গেছি! আর কিছুই না!
স্বপ্নকে বেশী গুরত্ব দেওয়াও না মাঝে মাঝে ঠিক না। অনুভূতিগুলোকে লুকিয়ে রাখাই ভালো। সবকিছু সবার সামনে প্রকাশ করার কোন অর্থ আছে?

আমি যখন দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়তাম তখন একজন আইরিশ ভদ্রমহিলা কয়েকদিনের জন্যে আমাদের ক্লাসে পড়াতে আসলেন। উনি আমাকে বলেছিলেন, “আমার যখন কিছু প্রয়োজন হয় তখন আমি একমনে প্রতিরাতে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি! তারপর একটা সময়ে আমি ওটা পেয়েও যাই।”

তো আমি করলাম কী, বাড়ি গিয়ে ঈশ্বরের কাছে রাতের বেলা প্রার্থনা করলাম, “হে ঈশ্বর! আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ! এই সময়ে তারা আমাকে একটা সাইকেল কিনে দিতে পারছে না। তুমি আমাকে একটা সাইকেল দাও। আমি শপথ করছি যে আমি প্রতিরাতে তোমাকে ধন্যবাদ দেবো।”

শপথটা আমি ভেঙ্গেছিলাম। কারণ এরপর আমি আর কখনও ওই প্রার্থনা করিনি। কিন্তু দুই সপ্তাহ পর স্কুল থেকে ফিরে আমি দেখি, আমার জন্য একটা নতুন সাইকেল অপেক্ষা করছে। অসাধারণ ছিলো সাইকেলটা ওটা সিটে একটা কলার ছবি ছিলো।

আমাকে আমার বাবা-মা জানালেন যে ওটা আমি একটা লটারিতে জিতেছি যেখানে আমাকে না জানিয়েই আমার এক বন্ধু আমার নামটা দিয়ে দিয়েছিলো। আমি কিন্তু তখন ওই কথাই বিশ্বাস করেছিলাম। কারণ ওটা বিশ্বাস করতেই আমার ভালো লেগেছিলো।
এখন কিন্তু ভালো লাগে না!

তো এইরকম জিনিস হতেই পারে। কিছুর আকাঙ্খা হয়তো সত্যিই সেটাকে আপনার কাছে এনে দেয়!  ভয় করবেন না। ভয় করলে কখনোই কিছু হবে না!  একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে আরেকটা দরজা কিন্তু আসবেই। দরজাগুলো কখনোই শেষ হবে না। আপনাকে শুধু দরজাটা সামনে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বিশ্বাস রাখুন! আবার বলছি, এই বিশ্বাস ধর্মগুরুরা যেমন ‘বিশ্বাস’র কথা বলেন তেমন বিশ্বাস নয়। আগেই ব্যাপারটা ব্যাখা করেছি আমি। আমরা এই প্রকৃতির অংশ হিসাবে বেঁচে নেই বরং প্রকৃতিটাই আমাদের জন্য বেঁচে আছে! জীবনের অর্থ আমরা খুঁজে বের করি না বরং জীবনই আমাদের সামনে একটা অর্থ দাঁড় করায়। আর এই অর্থ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম।

সবসময় ভালো জিনিসগুলো দেখুন, কোন মানুষকে পছন্দ না হলে তার থেকে দূরে থাকুন যদি তার কাছেই থাকতে হয় তবে তার ভালো দিকগুলোর কথা বিবেচনা করে থেকে যান। কারণ ভালো আর খারাপ মিশিয়েই তো মানুষ, তাই না? আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আজ আপনাদের মধ্যে থাকতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

 

আরও পড়ুনঃ অটিজম যাদের জন্য আশীর্বাদ ছিল!

Facebook Comments
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন: